Android Apps Review

এন্ড্রোয়েড এর কিছু গোপন ট্রিক সম্পর্কে জেনে নিন।(Android)

আজকে আপনার সামনে উপস্থাপন করবো এন্ডোয়েড এসিস্ট্যান্ট – Android assistant এর সম্পর্কে বিস্তারিত আলোচলা।আপনি এর দ্বারা কি কি সুবিধা পেতে পারেন আর এটি আপনার জন্য কতটা গুরুত্বপূর্ণ।

প্রথমেই ইচ্ছেঘুড়ি ব্লগ এর পক্ষ থেকে সবাইকে জানাই আন্তরিক সালাম ও শুভেচ্ছা.. আশা করি সবাই ভালো আছেন আর আমরাও চাই আপনারা সবাই ভালো থাকুন….। চলুন আমাদের মুল টপিকে আশা যাক।

হ্যা বন্ধুরা আজকে আমাদের মুল বিষয় হচ্ছে এন্ডোয়েড এসিস্ট্যান্ট – Android assistant আশলে এটা একটা ফ্রি এন্ড্রোয়েড সফটওয়্যার। খুব অল্প মেগাবাইট সম্পন্ন একটি সফটওয়্যার যেটি এন্ড্রোয়েড মোবাইল কেনার সময় বেসির ভাগ মোবাইলেই অফিসিয়াল হিসেবে ফোনের ডেফল্ট হিসেবে দেয়া থাকে আবার কিছু কিছু মোবাইল এর ব্যাতিক্রম মানে সফটওয়্যার টি থাকে না।

এন্ডোয়েড এসিস্ট্যান্ট – Android assistant আশলে কি?

এন্ডোয়েড এসিস্ট্যান্ট – Android assistant আশলে একটি এন্ড্রোয়েড মোবাইলের জন্য একটি ফ্রি সফটওয়্যার। যা এন্ড্রোয়েড মোবাইলের একটি টুল হিসেবে ব্যাবহার করা হয়।

এটা খুব অল্প মেগাবাইট সম্পন্ন একটি সফটওয়্যার, কিন্তু অল্প মেগাবাইট বলে আপনি এটাকে তুচ্ছ মনে করে এডিয়ে যাবেন না। আর যদি এটি আপনি এডিয়ে যান তাহলে আমি মনে করি আপনি খুব ভুল কোরলেন।

কারন এই এপসটির অসাধারন কিছু কাজ সম্পর্কে আপনি জানকে খুব অবাক হবেন আর আপনি ধারনাও কোরতে পারবেন না যে সামান্য এতটুকু একটা সফটওয়্যার বা এন্ড্রোয়েড এপস এর দ্বারা এত কাজ কি করে সম্ভব।

যেমন আপনার হাতের সখের মোবাইল ফোনটি দেখবেন অনেক সময় স্লো হয়ে যায় আর এই সফটওয়্যার টির ব্যাবহার যদি আপনি জানেন তাহলে অবশ্যই আর আপনার হাতের এন্ড্রোয়েড মোবাইলটি আর স্লো হবেনা।

আরো অনেক বিষয় যা প্রত্যেকটি কার্যকর এবং আপনার যানা অত্যন্ত জরুরি তাই আমি প্রত্যেকটি বিষয় এখানে ক্লিয়ারলি জানাবো আশা করি পুরো টিউনটি আপনি পড়বেন।

এন্ডোয়েড এসিস্ট্যান্ট – Android assistant কোথায় পাওয়া যাবে..?

এন্ডোয়েড এসিস্ট্যান্ট – Android assistant আমি উপরে জানিয়েছি যে এটি সকলের জন্য উন্মুক্ত একটি ফ্রি সফটওয়্যার তাই চিন্তার কোনো কারন নেই এটি আপনি গুগল প্লে স্টোরে একদম বিনামুল্যে পাবেন। আমি আপনাকে দেখিয়ে দিবো। নিচের ছবিটি লক্ষ করুন।

এন্ড্রোয়েড এর কিছু গোপন ট্রিক সম্পর্কে জেনে নিন।(Android)

এন্ড্রোয়েড এর কিছু গোপন ট্রিক সম্পর্কে জেনে নিন।(Android)

প্রথমে আপনি আপনার মোবাইলের গুগল প্লে স্টোরে জাবেন, তারপর সার্চ বারে লিখুন Android Assistant আর সার্চ দিন তারপর আপনার কাংখিত সফটওয়্যার টির ডানপাশে থাকা ইন্সটল – Install লেখা বাটনে ক্লিক করুন।

একটু অপেক্ষা করুন যেহেতু মাত্র ২-৩ এমবি বাকিটা আপনার ইন্টারনেট স্পিডের উপর নির্ভর করে। ইন্সটল সম্পন্ন হলে এবার প্লে স্টোর থেকে বেরিয়ে আশুন।

এন্ডোয়েড এসিস্ট্যান্ট – Android assistant এর কাজগুলো এক নজরে দেখে নেয়া যাক।

সফটওয়্যার বা এপস টি ওপেন করুন ওপেন করার পরে ফাস্ট উপরে ৩ টি অপশন থাকবে

(1) Monitoring (2) Processes (3) Tool

তবে সার্ভিস গুলী আপনি Monitoring এবং Tool এই ২ (দুই) অপশনেই পাবেন।

Monitoring (মনিটরিং) অপশন এর নিচে যে সার্ভিস গুলো এই এপস এর মাধ্যমে পাওয়া যাবে সেগুলো থাকবে। আর কি কি কাজ করা যায় এটার মাধ্যমে তার কিছু বিবরন আমি লিখতেছি তবে এখানে এপস টি ওপেন করার পর মুলত ১১ (এগার) টির মত সার্ভিস এর ডাসবোর্ড এ দেয়া আছে।

এছাড়াও আরো কিছু হিডেন ট্রিক আছে যেমন আমি উপরের আলোচনায় বলেছিলাম যে মোবাইল ফোনটি স্লো না হয় সে ব্যাপারে। আসলে ব্যাপার টি এরকম যে ১০ (দশ) মিনিট পর পর আপনার মোবাইল টি রিফ্রেশ হবে আর আপনার অবর্তমানে যত এপস ব্যাকগ্রাউন্ডে চলবে সব এই এন্ডোয়েড এসিস্ট্যান্ট – Android assistant নিজ দায়িত্বে অফ করে দিবে।

১০ মিনিট পর পর আপনার মোবাইল ডিভাইস টি রিফ্রেস হবাই ট্রিক টি একটি নতুন ট্রিক হিসেবে দেবো।

চলুন এর ফিচার ও কাজ সম্পর্কে একটু জেনে নেয়া যাক।।

  • Cache Clear – কেচ ক্লিয়ার
  • System Clear – সিস্টেম ক্লিয়ার
  • Batch Uninstall – ব্যাচ আনইন্সটল
  • Batch Install – ব্যাচ ইন্সটল
  • Backup & Restore – ব্যাকাপ এবং রি স্টোর
  • App2SD – এপপ টু এস ডি (মেমরি কার্ড)
  • Startup Manager – স্টারট আপ ম্যানেজার
  • Battery Usage – ব্যাটারি ইউজেস
  • File Manager – ফাইল ম্যানেজার
  • System Info – সিস্টেম ইনফো
  • Permissions – পারমিশনস

এন্ডোয়েড এসিস্ট্যান্ট – Android assistant Cache Clear – কেচ ক্লিয়ার আশলে কি…?

Cache Clear আসলে কি এটা মুলত কি আমরা এন্ড্রোয়েড ডিভাইস ব্যাবহার কারিরা কিছুটা হলেও কিন্তু ধারনা আছে আর জদিও না জেনে থাকেন তাহলে সমস্যা নেই আমি সংক্ষিপ্ত আকারে বলার ট্রাই করতেছি ওকে।

আমাদের সাদের এন্ড্রোয়েড ডিভাইস টি মুলত স্লো হবার মুল কারন ই হয়ে দাঁড়ায় এই কেচ (Cache) ফাইল আর এর কারনে আমাদের ফোন মেমরির জায়গা নস্ট হয় শুধু শুধু প্লাস র‍্যাম কেও লোড করে রাখে তাই আমাদের ডিভাইস টি স্লো হয়ে যায়।

তবে কেউ কেউ এন্টিভাইরাজ ও ক্লিন মাস্টার এপস দিয়ে হয়তো ক্লিন করে থাকে কিন্তু আমি বলি ভাই ২,৩ এমবির এত অসাধারন একটা এপস থাকতে শুধু শুধু অই ৬০,৭০ এমবির ক্লিন মাস্টার এপস ইন্সটল করে কি লাভ বলেন তাতে আরো উলটো র‍্যাম লোড হবে কাজের কাজ কিছুই হবে না।

আবার ক্লিন মাস্টার ইন্সটল করাতে হয়তো কেচ ফাইল ক্লিন করলেন কিন্তু ওদিকে আপনি ক্ষতির মুখেও পোড়তে পারেন তবে ওটা নিয়ে আলোচনা না বাড়াই ওকে।।।।

এন্ডোয়েড এসিস্ট্যান্ট – Android assistant সিস্টেম ক্লিয়ার (System Clear) আশলে কি..?

সিস্টেম ক্লিয়ার আশলে আমাদের এন্ড্রোয়েড ডিভাইস এর সিস্টেম মানে ডেফল্ট ভাবে যে এপস গুলো থাকে তার উপর যে কেচ ফাইল গুলো হয় সেটি।

আর কেচ ক্লিয়ার (Cache Clear) এবং সিস্টেম ক্লিয়ার ( System Clear) প্রায় ই সেইম কেচ ক্লিয়ার ফাইল গুলী হয় এপস গুলর অপ্রয়োজনীয় ডেটা আর সিস্টেম কেচ হলো মোবাইল ডিভাইজটি চলমানের ক্ষেত্রে যে অপ্রয়োজনীয় ফাইল গুলো হয় সেটি।

আমি এই পোস্ট টি লেখার আগে এই অপশন টি চেক করার জন্য এই অপশন টির ব্যাবহার টা করেছিলাম তাতে আমি ১ জিবি প্লাস সিস্টেম কেচ ফাইল ডিলেট করেছিলাম নিচে ছবিটি দিচ্ছি দেখে নিবেন।

এন্ড্রোয়েড এর কিছু গোপন ট্রিক সম্পর্কে জেনে নিন।(Android)

এন্ড্রোয়েড এর কিছু গোপন ট্রিক সম্পর্কে জেনে নিন।(Android)

এন্ডোয়েড এসিস্ট্যান্ট – Android assistant ব্যাচ আনইন্সটল Batch Uninstall সম্পর্কে একটু জেনে নেয়া যাক।

ব্যাচ আনইন্সটল (Batch Uninstall) অপশন টি সিলেক্ট করার পর আপনার ডিভাইসে ইন্সটল থাকা সব এপস গুলো শো করবে তারপর অই লিস্ট থেকে যে এপস গুলী আপনি রাখতে চান না সেগুলো সব মার্ক করে একবারে আনইন্সটল করে দেয়াটাকেই ব্যাচ আনইন্সটল বলে।

এন্ডোয়েড এসিস্ট্যান্ট – Android assistant ব্যাচ ইন্সটল (Batch Install) সম্পর্কে একটু ধারনা নেয়া যাক।

ব্যাচ ইন্সটল (Batch Install) টুলটি ওপেন করলে আপনার মেমরি কার্ডে বা আপনার ডাউনলোড করা সব এপস গুলো সিরিয়ালি সব চলে আসবে। আর আপনি এখান থেকে যে এপস গুলো আপনার দরকার সব মার্ক করে নিচে থাকা ইন্সটল বাটন টি শুধু একবার ক্লিক করে দিলেই ব্যাস ওকে।

এই অপশন টি মুলত মোবাইল ফোনটি রিস্টার্ট মারার পরে ব্যাবহার করা হয়। তাছাড়া সচরাচর এই টুলটি ব্যাবহার করার প্রয়োজন খুব একটা হয় না।

Backup & Restore – ব্যাকাপ এবং রি স্টোর সম্পর্কে একটু জানা যাক।।

ব্যাকাপ বলতে কি বুঝায় আমরা মোটামুটি সবাই জানি কিন্তু এই এন্ডোয়েড এসিস্ট্যান্ট – Android assistant এর ব্যাকাপ অপশনটি এর কাজ হচ্ছে আপনার এন্ড্রয়েড ডিভাইস টিতে ইন্সটল থাকা এপস গুলো।

যদি আপনার মেমরিরে না থাকে তাহলে এই এপস বা সফটওয়্যার টির মাধ্যমে আপনি খুব সহজেই ইন্সটল থাকা এপস গুলো ব্যাকাপ করে আপনার মেমরি কার্ডে আবার নিতে পারবেন।

যেভাবে ব্যাকাপ নিবেন আপনি প্রথমে ব্যাকাপ এন্ড রি স্টোর অপশন টিতে যাবে তারপর ইন্সটল থাকা সব এপস গুলোর লিস্ট পাবেন। ব্যাস লিস্ট থেকে যে এপস গুলো ব্যাকাপ নিতে চান সেগুলো মার্ক করেন,, তারপর একদম নিচে বাম পাশে ব্যাকাপ (Backup) লেখাতে জাস্ট ক্লিক করে কিছুক্ষন অপেক্ষা করলেই ব্যাস কাজ শেস তারপর আপনার মেমরি কার্ডে Android Assistant নামে একটি ফোল্ডার পাবেন যেটি অটোমেটিক তৈরি হয়ে যাবে ব্যাকাপ নিলে তারপর অই ফোল্ডার থেকে আপনার পছন্দ মত ফাইল বা ফোল্ডারে মোভ করে নিবেন আর অই ফোল্ডারে রাখলেও সমস্যা নাই।

এবার আশি রি স্টোর এর ব্যাপারে।।।

রি স্টোর হলো আপনি যে এপস গুলো ব্যাকাপ টুল দিয়ে ব্যাকাপ করে নিলেন সেগুলো দেখা যাবে এবং পরবর্তিতে আবার ইন্সটল করা যাবে। রি স্টোর অপশন টি Backup & Restore অপশনে যাবার পর উপরের ডান পাশের স্লাইডে পাওয়া যাবে।

App2SD – এপপ টু এস ডি (মেমরি কার্ড) এর সম্পর্কে।

App2SD – এপপ টু এস ডি (মেমরি কার্ড) বলতে এখানে বুঝাচ্ছে আপনি প্লে স্টোর বা ফাইল থেকে যে এপস গুলা ই ইন্সটল করেন সব এপস গুলিই কিন্তু আপনার ডিভাইস এর ফোন মেমরিতে সেট হয়ে যায়।

আর এই অপশন টি দ্বারা আপনি খুব জরুরি প্রয়োজন ছাড়া এপস গুলো কোনো ঝামেলা ছাড়াই ফোন মেমরি থেকে আপনার এস ডি (SD Memory) কার্ডে মুভ করে নিতে পারবেন। যদিও মোবাইল এর সেটিং এর এপস ইনফো থেকে এ কাজ টা করা যায় কিন্তু ঝামেলা পুর্ন হয়। তবে এই অপশন টি যাদের ফোন মেমরি কম তাদের জন্য একটি কর্যকরি টুল।

Startup Manager – স্টার্ট আপ ম্যানেজার ম্যানেজার আশলে কি..?

Startup Manager – স্টার্ট আপ ম্যানেজার ম্যানেজার সম্পর্কে আমরা অনেকেই হয়তো জানিনা কিন্তু এটি আশলে অনেক কার্যকরি একটি টুল। চলুন এই টুল টির কাজটা সম্পর্কে একটু জানা জাক।

এই টুলটির দ্বারা আপনি আপনার ডিভাইস টি ওপেন করার পরে অটোমেটিক ব্যাকগ্রাউন্ডে কোনো এপস চালু না হয়ে যায় এটা নির্ধারন করে দিতে পারবেন। যেমন ধরা যাক আপনার এন্ড্রোয়েড ডিভাইস টি ওপেন করার পর ইমো (imo) এপস টি অটোমেটিক ভাবে ব্যাকগ্রাউন্ডে স্টার্ট হয়ে যায়।

এরক অনেক এপস বা গেমস আছে যেগুলো ব্যাকগ্রাউন্ডে রান হয়ে যায় আর ব্যাটারি ব্যাকাপ নস্ট করে আর ডিভাইস স্লো করে দেয়। আর Startup Manager – স্টার্ট আপ ম্যানেজার ম্যানেজার দিয়ে এটি বন্ধ করে রাখা যায়।

বন্ধ রাখার উপায় Startup Manager – স্টার্ট আপ ম্যানেজার ওপেন করলেই এপস লিস্ট চলে আসবে তারপর জাস্ট এপস টি মার্ক করে দিন ব্যাস তাহলেই কমপ্লিট।

Battery Usage – ব্যাটারি ইউজেস আসলে কি..?

Battery Usage – ব্যাটারি ইউজেস আসলে এই টুলটি দ্বারা দেখা যায় আপনার ডিভাইস এর কোন এপস টি কি পরিমান ব্যাটারি খরচ করছে এটি যানা যায়। আর যে এপস গুলো দরকান না অই এপস গুলো বন্ধ করে দিলে অই এপস ব্যাটারি খরচ বন্ধ করে দিবে এতে ব্যাটারি ব্যাকাপ টি বাড়ানো যায়।

প্রথমে Battery Usage এ ডুকলে কোন এপস কি পরিমান ব্যাটারি খরচ করছে সেটি দেখা যাবে তারপর যে এপস টি আপাদত ব্যাকগ্রাউন্ডে চালু রাখা দরকার না অই এপস এর উপর ক্লিক করলে অপশন লেখা আসবে একদম উপ্রে কিল (Kill) অপশনে ক্লিক করলেই কমপ্লিট।

File Manager – ফাইল ম্যানেজার আশলে কি..?

File Manager – ফাইল ম্যানেজার সম্পর্কে আমরা সবাই জানি তার এ ব্যাপারে আমি আর আলোচনা বাড়ালাম না আর এই টুল দিয়ে ফাইল ম্যানেজার ব্রাউজ করা যায় কিন্তু হয়তো আপনার খুব একটা ভালো লাগবে না।

System Info – সিস্টেম ইনফো কি…..?

System Info – সিস্টেম ইনফো বলতে আমরা আমাদের ডিভাইস টির ইনফো গুলো সঠিক ভাবে দেখে নেয়া যায়।

Permissions – পারমিশনস কি…?

Permissions – পারমিশনস এই টুলটি বা অপশন টির মাধ্যমে আপনি আপনার ডিভাইস টিতে যত এপস ইন্সটল করা আছে তার প্রত্যেক টি এপস এর কি কি পারমিশন দেয়া আছে এটা জেনে নেয়া যায়।

আমি এই টিউন টিতে আপনাদের গুরুত্বপুর্ন কিছু ইনফরমেশন নিয়ে আলোচনা করলাম।।

আশলে অনেক বকবক করলাম। আমার কথার ভিতর কোনো ভুল ত্রুটি থাকলে প্লিজ ক্ষমা সুন্দর দৃষ্টিতে দেখবেন। আমাদের ইচ্ছেঘুড়ি ব্লগের সাথেই থাকবেন।।। সবাই ভালো থাকবেন।

Click to comment

Leave a Reply

Your email address will not be published.

To Top